বৈশ্বিক মেমোরি সংকটে অ্যাপলের নতুন ম্যাক উন্মোচনে বিলম্ব
বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামোর বিস্তার নতুন করে চাপ তৈরি করেছে প্রযুক্তি সরবরাহ ব্যবস্থায়। সবচেয়ে বেশি টান পড়েছে র্যাম ও স্টোরেজে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভোক্তা পণ্যের বাজারে। এই বাস্তবতায় সময়সূচি বদলাতে বাধ্য হয়েছে অ্যাপল।
প্রতিষ্ঠানটির বহুল প্রত্যাশিত এম-ফাইভ ম্যাক স্টুডিও এখন অক্টোবরের আগে আসছে না। আর টাচস্ক্রিন ম্যাকবুক প্রো পিছিয়ে যাচ্ছে ২০২৭ সালের শুরুর দিকে। তথ্যটি জানিয়েছেন মার্ক গুরম্যান, যা প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় মেমোরির দখল
বর্তমান সংকটের মূল কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সার্ভারের চাহিদা। এসব অবকাঠামোতে বিপুল পরিমাণ র্যাম ও স্টোরেজ প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য তৈরি যন্ত্রে সরবরাহ কমে গেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে দামও।
সরবরাহ ঠিক রাখতে বাড়তি ব্যয় গুনছে অ্যাপল। দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং-এর কাছ থেকে ডিআরএএম চিপ আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামে কিনছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাজারে সংকটের স্পষ্ট প্রভাব
ইতোমধ্যে ম্যাক স্টুডিও ও ম্যাক মিনির কয়েকটি সংস্করণে এক মাসের বেশি বিলম্ব দেখা যাচ্ছে। কিছু মডেল পুরোপুরি অনুপলব্ধ। অনেকেই ধারণা করেছিলেন নতুন সংস্করণ আসছে বলেই এমনটি হচ্ছে। বাস্তবে এটি সরবরাহ ঘাটতিরই ফল।
সফটওয়্যার প্রস্তুত, অপেক্ষা সরবরাহে
টাচস্ক্রিন ম্যাকবুক প্রো’র সফটওয়্যার উন্নয়ন প্রায় শেষ। এতে নতুন কনটেক্সচুয়াল মেনু ও আকার পরিবর্তনযোগ্য টুলবার বোতাম যুক্ত হচ্ছে। এগুলো চলতি বছরের শেষ দিকে আসা ম্যাক ওএস ২৭-এর সঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থাৎ প্রকৌশল বা সফটওয়্যারে বড় কোনো বাধা নেই। হার্ডওয়্যারও প্রস্তুতির শেষ ধাপে। তবে পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাজারে আনতে চাইছে না অ্যাপল।
কবে আসবে নতুন ম্যাক
বর্তমান পরিস্থিতিতে ম্যাক স্টুডিও পাওয়ার সম্ভাব্য সময় অক্টোবর। আর টাচস্ক্রিন ম্যাকবুক প্রো পেতে অপেক্ষা করতে হবে ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত।